ছাতকে হাসপাতাল থেকে উধাও হওয়া সেই নবজাতক উদ্ধার।

ডেস্ক নিউজ 

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উধাও হওয়া সেই নবজাতককে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ছাতক ও শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ যৌথ অভিযান করে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বাদউল্লাহপুর (মানিকপুর) গ্রামের একটি বাড়ি থেকে নবজাতককে কুড়িয়ে পাওয়া সেই সিএনজি অটো-রিকশা চালক কাওছারকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে শুক্রবার ভোরে ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের কালারুকা বাজার সংলগ্ন তার নানা বাড়িতে স্ত্রী কল্পনা বেগমের কাছ থেকে নবজাতককে উদ্ধার করে পুলিশ। কাওছার ও কল্পনা বেগম সম্পর্কে তারা স্বামী-স্ত্রী। তাদের বাড়ি দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের শিবপুর নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, গেল (৮জুন) সন্ধ্যায় ছাতক সদর ইউনিয়নের আন্ধারীগাওঁ সড়কের পাশ থেকে এক সপ্তাহ বয়সী নবজাতক ছেলে শিশুকে কুড়ে পায় কাওছার আহমদ নামের এক সিএনজি অটো রিকশা চালক। হাতে কেনোলা লাগানো অবস্থায়
নবজাতকটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর ওই চালক কাওছার ও তার স্ত্রী কল্পনা নবজাতক শিশুটির দেখাশোনা করে আসছিলেন। ভর্তি থাকাবস্থায় একাধিক ব্যক্তি আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রয়েছে। কিন্তু কোন ছাড়পত্র ছাড়া গেল বৃহস্পতিবার দুপুরে নবজাতক ও কাওছার এবং তার স্ত্রী হঠাৎ করে উধাও হন। বিষয়টি নিয়ে দিনভর আলোচনা-সমালোচনার হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাদের দায়িত্ব অবহেলার দায় কোন ভাবে এড়াতে পারেন নি। রোগিদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ মো. শফিউর রহমান জানান, নবজাতককে দত্তক নিতে ইতোমধ্যে ১১টি আবেদন পড়েছে। এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে ফয়সল আহমদ ও রোকশানা দম্পতিকে প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত আরিফিন বলেন, আমরা নবজাতক কে উদ্ধার করে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের আওতায় দিয়ে দিছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহি উদ্দিন জানান, আবেদন কারিদের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে যে যোগ্য তাকে দেয়া হবে নবজাতক।

এই সংবাদটি 167 বার পঠিত হয়েছে