বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
বানিয়াচংয়ে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর খালের পানিতে ভেসে উঠলো এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ—গায়ে নারী পোশাক! ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকায় নেমে আসে শোক ও রহস্যের ছায়া।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ৩নং ইউনিয়নের দোয়াখানী গ্রামের মরজাত খাল থেকে দারুস সালাম মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র মঈনুল হাসান (১২)-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত মঈনুল ওই গ্রামের আতিকুর রহমানের ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল থেকেই মঈনুল নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে সারাদিন খোঁজাখুঁজির পর মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
অবশেষে বুধবার দুপুরে স্থানীয়রা মরজাত খালে ভাসমান এক মরদেহ দেখতে পান। কাছে গিয়ে তারা চমকে ওঠেন—গায়ে নারী পোশাক পরা অবস্থায় ছিল নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র মঈনুলের নিথর দেহ। খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের পিতা আতিকুর রহমান বলেন, আমার ছেলে সবসময় পাঞ্জাবি পরত। তার গায়ে নারী পোশাক দেখে আমি হতবাক। এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমি আমার ছেলের হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন,খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রহস্যজনক এই মৃত্যুর পেছনে কী কারণ, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।






