সিলেটে শাহ ওলি উল্লাহ মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের রক্ষায় পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ

সিলেট তথ্যানুসন্ধান ডেস্কঃ-সিলেট সদর উপজেলার বড়গুলে হজরত শাহ ওলি উল্লাহ (রহ.) রইছুল উলূম মাদ্রাসা ও এতিমখানার ভূমি দখলে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে একটি কুচক্রী মহল। মাদ্রাসার সীমানায় টিউবওয়েল স্থাপন, বাইরে থেকে গাছ কেটে এনে মাদ্রাসার সীমানায় পোড়ানোসহ শিক্ষক ছাত্রদের আসামি করার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফের কাছে। মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা ও মুহতামিম হাফিজ মাওলানা রইছ উদ্দিন শনিবার দুপুরে পুলিশ কমিশনারের সাথে সাক্ষাত করে মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের হয়রানি থেকে রক্ষাসহ মাদ্রাসার রক্ষার আবেদনের পাশাপাশি লিখিত অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আখালিয়া বড়গুলের মিছকিন আলীর ছেলে মঈন উদ্দিন তার বাহিনী নিয়ে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারসহ মাদ্রাসা মুহতামিমের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করে আসছেন।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মঊন উদ্দিন ও তার লোকজন চাঁদাদাবি করে আসলে গত ০২ অক্টোবর চাঁদাবাজি মামলা নং-০৩(১০)২০২০ দায়ের করেন। এ মামলার আসামিরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে বের হয়ে আবারো নানা ধরণের হয়রানি উৎপাত করে আসছে। মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের হয়রানির পাশাপাশি মাদ্রাসা দখলের চেষ্টা শুরু করে। তারা মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরণের মামলার আসামি করার হুমকি দিচ্ছে। গত ১২ নভেম্বর এবং ১৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় মাদ্রাসা এলাকায় বিভিন্ন স্থান থেকে গাছ জড়ো করে তা পুড়িয়ে ভিডিও ধারণ করতে থাকে মঈন উদ্দিনের লোকজন। এ সময় তারা মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্রদের আসামি করে মামলা করার কথা উচ্চস্বরে আলাপ করতে থাকে। এতে করে মাদ্রাসায় অবস্থানরত শিক্ষক, ছাত্ররা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। উল্লিখিত তারা ২৭ অক্টোবর মাদ্রাসায় হামলা করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্ঠা করলে ৯৯৯-এ ফোন দিলে জালালাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে টিউবওয়েল স্থাপনের সত্যতা পায়। ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশ নেওয়ার ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে নানা ধরণের ভয়ভীতি প্রদর্শণ ও চাঁদাবাজি মামলা প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দিচ্ছে। পুলিশ কমিশনার মো. নিশারুল আরিফ হাফিজ বক্তব্য শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন বলে জানিয়েছেন মাওলানা রইছ উদ্দিন। তিনি বলেন, পুলিশ কমিশনার মহোদয় আমার বক্তব্য শুনেছেন।

এই সংবাদটি 185 বার পঠিত হয়েছে