দোয়ারাবাজার ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রী জেছমিন কে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণকারী ধর্ষক হৃত্ত্বিক চন্দ্র বর্মণকেও আটক করে পুলিশ। সে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পঞ্চসাড় গ্রামের বিমল চন্দ্র বর্মণের পুত্র।
পরে ভিকটিমের বড় ভাই সুমন আহমদ দোয়ারাবাজার থানায় অপহরন মামলা করেন। মোবাইল ফোনের সূত্রধরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা পুলিশের সহযোগিতায় থানা এলাকা হতে অপহৃত জেছমিন আক্তার (১৬)কে উদ্ধার ও অপহরণকারী ধর্ষক হৃত্তিককে আটক করে পুলিশ। জেছমিন স্থানীয় আমবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী।
বুধবার (১৮ নভেম্বর) তাদের সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানায় নিয়ে আসা হয়। অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নার গাঁও ইউনিয়নের আমবারি ভিকটিমের একই গ্রামে, মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পঞ্চসাড় গ্রামের বিমল চন্দ্র বর্মণের পুত্র হৃত্তিকের (খালা) বা মাসির বাড়ি হওয়ায় প্রায় সময় সে এখানে আসত। সেই সূত্রে হৃত্তিক জেছমিন কে প্রেমের প্রস্তাব দিত। সে সনাতন হিন্দু ধর্মাম্বলি হওয়ায় জেছমিন তার প্রেমে সাড়া না দেওয়ায় তাকে কৌশলে অপহরণ করে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
ভিকটিমের বড় ভাই সুমন বলেন, আমার স্কুল পড়ুয়া ছোটোবোনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টিকটক খ্যাত বখাটে হৃত্তিক অপহরণ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেছে। আমি ধর্ষকের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি কামনা করি।
এব্যাপারে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাজির আলম বলেন, আমরা অপহরণকারীকে ভ সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছি।






