সিলেট তথ্যানুসন্ধান ডেস্কঃ-সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি তাহের মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ১নং রুস্তুমপুর ইউনিয়নের হাদারপারের বাসিন্দা তাহের।

ষড়যন্ত্রের স্বীকার আলিম উদ্দীনের ছবি
এই ধষণের ঘটনার সঙ্গে জড়ানো হযেছে ৩ পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আলিম উদ্দীনকে। তবে আলিম উদ্দিন এ ঘটনার সাথে কোন ভাবে জড়িত নয়।
একটি কু-চক্রী মহল আলিম উদ্দিনের নির্বাচনী মাঠকে প্রশ্নবৃদ্ধ করার লক্ষে উঠে পড়ে লেগেছে। বিগত কয়েক দিন থেকে আলিম উদ্দিনকে নিয়ে কিছু সংখ্যক ভূইফোঁড় অনলাইন নিউজ পোর্টালে মিথ্যা সাজানো সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছে।
ওই ছাত্রী ধর্ষণের সাথে আলিম উদ্দিনের কোন সম্পর্ক না থাকলেও ধর্ষক আলিম উদ্দিনের শ্যালক। যার ফলে এই মামলায় ষড়যন্ত্র করে একটি মহল আলিম উদ্দিনের নাম যোগ করেছেন। পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে এসআই জুনেল ও এএসআই সুফিয়ান অভিযান করে প্রধান আসামি তাহের মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। একটি কু-চক্রী আলিম উদ্দিনকে এই ঘটনার সাথে জড়িত করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়াটাই আলিম উদ্দিনের অপরাধ।
জানা গেছে, জাফলং এলাকার বাসিন্দা ও গোয়াইনঘাট কলেজের ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও তার অশ্লীল ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইলিং করে তাহের। এতে তার দুলাভাই আলিম উদ্দিন কেন সহযোগিতা করবে? এখানে সহযোগিতার কি আছে? এ ঘটনায় সম্প্রতি মামলা করেন ওই ছাত্রী। তাহিরের বাড়ি বিছনাকান্দি হলেও সে দীর্ঘদিন ধরে দুলাভাই আলিম উদ্দিনের বাড়িতে বসবাস করে আসছে। সেই সূত্র ধরে আলিম উদ্দিনকে ষড়যন্ত্রের জালে বন্ধি করেছেন।
উক্ত ধর্ষণের বিষয়টি সঠিক ভাবে তদন্ত করে ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রশাসনের নিকট আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন আলিম উদ্দিনের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইনছান আলী।






