শাহজাহান আলী
বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার গাবতলীর কাগইল ইউনিয়নে ১০টি গরু চুরি
হওয়ায় ১১ দিনের মাথার ৫টি গরু উদ্ধার ও তিন চোরকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
গত রোববার রাতে বগুড়ার গাবতলী মডেল থানায় এব্যাপারে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এঘটনায় পুলিশ ৫টি গরু উদ্ধার করেছ এবং তিন চোরকে গ্রেফতার করে আজ জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়নের কৈঢোপ গ্রামের চাঁদ মিয়ার ছেলে ঠান্ডা মিয়া (৬০),আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মোঃ মহিদুল ইসলাম (২৫) এবং শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোগারপাড়া গ্রামের মৃত হাছেন আলীর ছেলে মোঃ রুবেল হোসেন (৪৫)।
থানা সূত্রে জানা য়ায়, গত ৫ জুন রাতে গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়নের বেড়েরঘোন গ্রামের মোঃ ইউনুস আলীর ছেলে কাগইল ইউপি সদস্য সাজেদুর রহমান শামীমের গোয়ালঘর ৪ টি গরু চুরি হয়। এ ঘটনায় সাজেদুর রহমান শামীম অনেক খোঁজা খুঁজির পর বাদী হয়ে ১৩ জুন রাতে গাবতলী মডেল থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) জিয়া লতিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক( তদন্ত) জামিরুল ইসলামসহ সঙ্গীয় ফোর্স রাত সাড়ে ১০ টার দিকে কাগইল ইউনিয়নের কৈঢোপ গ্রামে এক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে গরু চুরির সঙ্গে জড়িত ৩ জনকপ গ্রেফতার করে।
এর আগে ২ জুন দিবাগত রাতে কাগইল ইউনিয়নের বেড়েরঘোন গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে রিপন মিয়ার গোয়ালঘর থেকে ২টি গরু ও গত ৮ জুন রাতে একই গ্রামের আমির উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের গোয়ালঘর থেকে ৪ টি গরু চুরি হয়।
গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলামকে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, কাগইল ইউনিয়নের ৩ জন কৃষকের তিন দিনে১০ টি গরু চুরি হয়। পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ৫টি গরু উদ্ধার সহ তিন চোরকে গ্রেফতার করে আজ সোমবার দুপুরে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান,অন্য ৫টি গরু উদ্ধারের চেষ্টা চলছে এবং উক্ত গরু চুরির সঙ্গে জড়িত বাকী আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






