নিজস্ব প্রতিবেদক::
সুনামগঞ্জের ছাতক পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরেন্দ গ্রামে বাড়ি ফেরার পথে মো. রহিম উদ্দিন নামে এক ব্যবসায়ীর ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আঙ্গুর মিয়া ও আলীরাজ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে ব্যবসায়িক কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রহিম উদ্দিনের ওপর কয়েকজন দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এ সময় তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এতে তাঁর মাথা, মুখ, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে ছাতক থানার সেকেন্ড অফিসার সঞ্জয় দত্তের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আঙ্গুর মিয়া ও আলীরাজকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ছাতক থানার সেকেন্ড অফিসার সঞ্জয় দত্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সুনামগঞ্জের ছাতক পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরেন্দ গ্রামে বাড়ি ফেরার পথে মোঃ রহিম উদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ীর ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আঙ্গুর মিয়া ও আলীরাজ নামের দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে ব্যবসায়িক কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রহিম উদ্দিনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় আঙ্গুর মিয়া, আলীরাজ ও তাদের সহযোগীরা। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে ও লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম হয়।
পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে ছাতক থানার সেকেন্ড অফিসার সঞ্জয় দত্তের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়। পরে অভিযানে আঙ্গুর মিয়া ও আলীরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ছাতক থানার সেকেন্ড অফিসার সঞ্জয় দত্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “হামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”






