হাসান উদ্দিন খন্দকার পাপেল এর লেখা কবিতা “নেশা”

সুজন দেওয়ান:

নেশা

নেশা যখন পেশা হয়
যাবিত জীবন ক্ষত হয়।
বালক থেকে গাঁজা টানে
এক চুমুকে কলকি ফাঁটিয়ে
অমুক তমুক ঝাঁটিয়ে।
বন্ধু এখন বাবা(ইয়াবা)খোঁজে,
মা-বাবা সর্বদাই থাকে লাজে।

ঘুম থেকে সকলেই চায় নাস্তা;
বন্ধু আমার শরীর দুলিয়ে বলে;
কোথায় আছে ইয়াবা?
মা রেগে বলে ;
নে এবার ইয়াবা চাবা।

সামাজিক ভাবে বিয়ে করিয়ে ভেবেছিলো ;
এবার বুঝি নেশা ছেড়ে হবে সংসারী,
মাস পার না হতেই নেশার জন্য
প্রতিনিয়ত বউয়ের সাথে মারামারি।

ঝগড়া বিবাদ চলছে,
মা -বাবা হাঁসছে।
আমরা দাদা-দাদী হলেই,
ছেলে নেশা ছাড়বেই।

ছেলের ছেলে এলো পৃথিবীতে,
মা-বাবা খুসী নাতী হওয়াতে,
ছেলের বউ বাড়ীতে
ছেলে ঘুরে নেশার জগতে।

হালের মা-বাবা দের অসহায়ত্ব,
তুমি আমি কেউ নিতে চাই না
কোন প্রকার দায় দায়িত্ব।

বউ তার সন্তানের জন্য
চায় বেঁচে থাকতে,
স্বামীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ
হয়ে চায় সংসার ছাড়তে।

বন্ধু যখন নেশার বুদে পথ ভ্রষ্ট,
বন্ধু হিসেবে মনে লাগে কষ্ট।
বন্ধু ভাই স্বজন নেশা ছেড়ে
ফিরে আসো নয়া জীবনে,
শান্তিতে সংসার করো মান-সম্মানে।

এই সংবাদটি 333 বার পঠিত হয়েছে