সিলেট ওসমানী হাসপাতালে আগুনে জ্বলসে যাওয়া শরীর নিয়ে ভর্তি হয়েছেন রুমি বেগম নামে মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলের এক গৃহবধু। বিয়ের সময় পিত্রালয় থেকে ফার্নিচার না দেয়ায় স্বামী ও শশুর বাড়ির লোকজন তার শরীর আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমানে রুমি বেগম মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। মাকে কাছে না পেয়ে কান্নায় আকাশ বাতাস ভারি করে তুলছে দু’মাস বয়সী তার শিশু পুত্র। এ ঘটনায় রুমির যৌতুকলোভী স্বামী আনোয়ার মিয়া ও শশুর ইউসুফ মিয়াকে ওসমানী হাসপাতাল থেকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, দেড় বছর আগে শ্রীমঙ্গলের সিন্ধুরখান তেলিয়াব্ধা গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে আনোয়ার মিয়ার সাথে বিয়ে হয় সিন্ধুরখান নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের মেয়ে রুমি বেগমের। বিয়ের পর ফার্নিচার দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে দিতে পারেননি। এজন্য প্রায়সময় শশুরবাড়ির লোকজন রুমিকে নির্যাতন করতো বলে অভিযোগ করেন তার স্বজনরা।
রুমির বড় ভাই আশরাফুল আলম বলেন, বোনকে নির্যাতন থেকে রক্ষা করতে টাকা দার করে ফার্নিচার রেডি করা হয়েছে। সেগুলো নেয়ার জন্য বোনের স্বামীকে খবরও দেয়া হয়েছে।
কিন্তু, মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) রাত তিনটায় হঠাৎ ফোনে জানানো হয় আমার বোন রুমি আগুনে পুড়ে গেছে। কীভাবে আগুন লেগেছে তার কোন সদুত্তর দিতে পারেননি তার স্বামী ও শ্বশুর। তারা একেক সময় একেক কথা বলতে থাকেন। রাতেই ওসমানী হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা বেশি সংকটাপন্ন হওয়ায়
ওসমানী হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. বুশরাতুল জান্নাত জানার, আগুনে দগ্ধ রুমির অবস্থা সংকটাপন্ন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা শেখ হাসিনা প্লাস্টিক এন্ড বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করা হয়েছে।
সি/ ই-21






