হেলাল আহমেদ চৌধুরীঃ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের চেয়ারম্যান ড. মাসুদ আলম বলেছেন, একজন শিক্ষার্থীকে মেধাবী হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শিক্ষকরা শিশুদের পাঠদানের জন্য প্রস্তুত করে দেন। আর অভিভাবকরা তাদের সন্তানকে যোগ্য করে গড়ে তুলেন। তিনি বলেন, শিক্ষার প্রসার ও প্রচারে শিক্ষা প্রতিষ্টানের ভূমিকা অপরিসীম। সিলেট শহরে অগণিত স্কুল রয়েছে। এখানে প্রতিযোগিতা করে ঠিকে থাকতে হয়। তবে প্রতিষ্টানের সুনাম ধরে রাখতে হলে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে উদ্যোগী হতে হয়।
তিনি শনিবার বিকেলে সিলেট নগরীর ইলেকট্রিক সাপ্লাই কলবাখানি এলাকায় অবস্থিথ শাইনি স্টেপস স্কুলের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলনের আয়োজনে আয়োজিত সূধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। স্কুলের শিক্ষিকা অপরাজিতা ব্যানার্জী এবং জালফা আক্তারের যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও শাইনি স্টেপস এর রেক্টর প্রফেসর হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জি । বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি করপোরেশনের ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ ও ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাসেদ আহমদ।
অনুষ্টানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন শাইনি স্টেপস স্কুলের পরিচালক এডভোকেট হুমায়ুন কবির শামীম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইয়াসমিন চৌধুরী, শাইনি স্টেপস স্কুলের চেয়ারম্যান বিলকিছ বেগম, ভাইস প্রিন্সিপাল শিরিন সুলতানা, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলনের সভাপতি হেলাল আহমদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সালেহ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম চৌধুরী ও সিনিয়র সহ সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেকুন নবী। শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলনের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সাহেদ আহমদ।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রুপিয়া বেগম, ফয়জুন নাহার মনি, আব্দুন নুর রুহেল, আব্দুল লতিফ, জাকির হোসেন, মিজানুর রহমান, নুরুল আমিন, এফ সুলতানা, আবেদা বেগম, ফাহমিদা আক্তার, সুমি হোসেন, সুমি রহমান, সুমাইয়া বেগম, সাহেদ আহমদ, আইনুল হক, তোহা খান, আব্দুল আহাদ, মহরম আলী, ছাইফুল মোমেন চৌধুরী, আবিদুর রহমান, ইমরান আহমদ, জুনেদ আহমদ, সৈয়দ মুর্শেদ আলী, ফয়সল আহসান, মোজাম্মেল খান, জমির উদ্দিন, আবদাল, জসিম উদ্দিন, আহমদ দিনার খান, আশিকুর রহমান শামীম, আশিক আহমদ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি






