ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়ন পরিষদের টেক্সের শতভাগ টাকা ইউপি সদ্যরা সম্মানি ভাবত ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
খোজ নিয়ে জানা যায় ইউনিয়ন পরিষদের টেক্সের টাকা শিক্ষা খাতে ১০ ভাগ, স্বাস্থ্য খাতে ১০ভাগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আপদ খালীন বিপদ খাতে ১০ ভাগ,যোগাযোগ ও উন্নয়ন খাতে ১০ ভাগ, পরিষদের অনুদান ও বিভিন্ন দিবস পালনে ১০ভাগ ব্যায় হওয়ার কথা। বাকী ৫০ ভাগ টাকা পরিষদের চেয়ারম্যান সহ সদস্য-সদস্যারা সম্মানি ভাবত নিতে পারেন। এসব নিয়ম নিতির তোয়াক্কা না করে উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের শতভাগ টেক্সের টাকা ভাগবাটোয়ারা করা হয়েছে। ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত আদায়কৃত টেক্সের ১৪ লক্ষ ৮১ হাজার ১৫০ টাকার শতভাগই বকেয়া সম্মানি খাতে ব্যায় দেখিয়ে জন প্রতি ৯৬.৮০০ টাকার চেগ গ্রহণ করেছেন ইউপি সদস্যরা। যে কারণে প্রাকৃতিক দূর্যোগসহ জনসেবা মুলক অন্যান্য কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তবে একাদিক ইউপি সদস্যদের দাবী, ২০২২ সাল থেকে তারা বকেয়া সম্মানি ভাতা পাননি। পরিষদের সকলের সিদ্ধান্তক্রমে সম্মানি ভাবত তারা এই টাকা গ্রহণ করেছেন। উত্তর খুরমা ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়াও উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে একই পদ্ধতিতে টেক্সের শতভাগ টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
টেক্সের শতভাগ টাকা বকেয়া সম্মানি ভাবত ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে উত্তর খুরমা ইউনিয়নের প্রশাসক কাজী মোহাম্মদ মহসিন জানান, টেক্সের ৫০ ভাগ টাকা জনসার্থে রাখার বিষয়টি ইউনিয়নের সচিব তাকে অবগত করেছেন। কিন্তু কোন গ্যাজেট দেখাতে পারেন নি। যার জন্য সকল সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে বকেয়া সম্মানি ভাতার টাকা বন্ঠন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






