ছাতকে মরা চেলা নদীর পাড় কেটে বালি উত্তোলন,হুমকির মুখে রুপ ওয়ে ট্রেসেল ও ভূমিহীন দের সরকারি ঘর

স্টাফ রিপোর্টার,ছাতক:

ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে গেছে মরা চেলা নদী এ নদীর কাটুমারা এঙ্গেল টু নামক স্থানে কতিপয় বালি খেকো ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন সন্ধ্যা হতে ভোর পর্যন্ত অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালি উত্তোলন করায় হুমকির মুখে রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতাধীন ছাতক হতে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত স্থাপন কৃত পাথর বহনকারী রোপওয়ে লাইন।

সরেজমিনে দেখা গেছে এঙ্গেল টু নামক স্থানে রোপওয়ে লাইনের নিচ থেকে বালি উত্তোলন করায় রুপ ওয়ের ট্রেসেল বা টাওয়ারের নিচের অংশে মাটি বা বালি না থাকায় টাওয়ার গুলি হেলে পড়ে অরক্ষিত ভাবে পড়ে আছে। এলাকাটিকে দিঘিতে পরিনত করে ফেলেছে। এ ছাড়া মরা চেলা নদীর তীরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ভূমিহীন দের সরকারি ঘরে দশ টি পরিবার বসবাস করলেও তাদের ঘরের পাশ থেকে বালি উত্তোলন করায় তাঁরাও আতঙ্কের মধ্যে পরিবারের লোকজন দের নিয়ে হুমকির মধ্যে রয়েছে। প্রভাবসালী বালি ব্যবসায়ীদের ভয়ে কেউ মূখ খুলে কথা বলতে পারছেন না। এখানে সন্ধ্যা হতে ভোর রাত পর্যন্ত বালি উত্তোলনের ফলে ড্রেজার মেশিনের শব্দ দূষণের কারণে কাটুমারা, ময়না দ্বীপ,মুজিব নগর ভূমি হীনদের ঘর,সিপাহি টিলা, মৌলভীর গাও,পাথারী পুর ও রহমত পুর গ্রামের মানুষ বয়স্ক ও শিশুদের নিয়ে নিরাপদে ঘুমাতে পারছেন না। এসব গ্রামের লোকজন প্রশাসনের কাছ অভিযোগ করলেও কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।স্থানীয়রা জানান এখান থেকে বালি উত্তোলন করে কয়েক কোটি টাকার বালি সুরমা নদীর পাড়ে বেজ বাড়ির সামনে স্তূপ আকারে জমা রেখে প্রতিদিন জাহাজ ও বাল্কহেড স্টিল নৌকা বুঝাই করে বিক্রি করলেও সরকার কোন ধরনের রাজত্ব পাচ্ছে না। প্রভাব সালী ব্যবসায়ী বালি খেকোরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট গভীর করে ফেলায় টিলা রকম ভূমি এখন দিঘিত।

এই সংবাদটি 139 বার পঠিত হয়েছে

শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর