হাওর বাঁচাও আন্দোলন কেন্দ্রীয় সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট খসরুর মৃত্যুতে সংগঠনের ছাতক শাখার নেতৃবৃন্দের শোক

  • ছাতক প্রতিনিধিঃঃ

সুনামগঞ্জের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক, সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপিত ও সম্পাদক এবং হাওর বাঁচাও আন্দোলন কেন্দ্রীয় সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু মৃত্যুতে শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদ্যদের প্রতি গভির সমবেদনা জানিয়েছেন হাওর বাচাঁও আন্দোলন ছাতক উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। এক শোক বার্তায় ছাতক উপজেলা কমিটির আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল হাই, পৌর মহিলা কাউন্সিলর তাছলিমা জান্নাত কাকলী, সাংবাদিক কাজি রেজাউল করিম রেজা, আছাদুর রহমান, দিলোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব ও দৈনিক সুনামকন্ঠ পত্রিকার স্টাফরিপোর্টার জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সদস্য আব্দুন নুর মেম্বার, সাংবাদিক নুর উদ্দিন, আতিকুর রহমান মাহমুদ, মুশাহিদ আলী, অলিউর রহমান, কামাল আহমদ, সাহাব উদ্দিন, আলী আকবর, এনামুল হক, আব্দুল মুক্তাদির, তাহিদুল ইসলাম রানা, নজরুল ইসলাম, ফজল উদ্দিন ফয়ছল, আব্দুল কাহার, তাজুল গনী, দক্ষিন খুরমা ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি জমির উদ্দিন, চরমহল্লা ইউনিয়ন কমিটর সাধারন সম্পাদক বুরহান উদ্দিন সহ প্রমূখ।

শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, হাওর বাঁচাও আন্দলন কেন্দ্রীয় সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু এমন এক সময় চলে গেলেন যখন হাওরের কৃষকরা তাদের ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায়। সদ্য প্রয়াত কৃষকবান্ধব এ নেতাকে সুনামগঞ্জের কৃষকরা কখনো ভুলবেনা। হাওরের মাটি ও মানুষের সাথে এবং কৃষকদের অন্তরে মিশে থাকবেন তিনি। বিবৃৃতি দাতারা মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভির সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

উল্লেখ্য, ২৪ফেব্রুয়ারি বুুধবার বিকেল ৩ঘটিকায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর বরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে মরহুমের বয়স হয়েছিল (৭০) বছর।

সদ্য প্রয়াত মরহুম বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু’র প্রথম জানাজার নামাজ ২৫ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুর ২ঘটিকায় জেলা শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে বেলা আড়াইটায় শহরের ষোলঘর পুরাতন জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে ষোলঘর এলাকাস্থ কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

এর আগে সকাল ১১ঘটিকায় মরহুমের মরদেহ নেওয়া হয় জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয় প্রাঙ্গনে । পরে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ নেওয়া হয় শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পৌরসভা প্রাঙ্গনে মরহুমের মরদেহ রাখা হয়।##

এই সংবাদটি 121 বার পঠিত হয়েছে