
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নাইন্দার হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ এগিয়ে চলছে। নাইন্দার হাওরের ৩ টি পিআইসির কাজ শেষের পথে থাকলে ও অনেক পিআইসির কাজ এখনও গতি নেই। কাজ শেষ হওয়ার পথে নাইন্দার হাওরের পিআইসি গুলো হল ২০,২১,ও ২২ নং পিআইসি। এদিকে
হাওরাঞ্চলে ফসলডুবির ঘটনা নতুন নয়। দু-তিন বছর পরপরই ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে সর্বপ্লাবী বন্যা হাওরে ঢুকে পড়ে। কৃষককে পথে বসিয়ে ‘ধানের খনি’ জলের অতলে হারিয়ে যায়। এক ফসলি এলাকা হওয়ায় ফসলডুবির ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এখানকার মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়। তবু বুক ভরা আশা নিয়ে কৃষকেরা হাওরে ফসল ফলায়।
হাওরের ফসল রক্ষাবাঁধের অগ্রগতি জানতে চাওয়া হলে ২১ নং পিআইসির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা হাওরের ফসল রক্ষাবাঁধের নীতিমালা অনুসারে কাজ করেছি। কাজও শেষের পথে। আশা করি সপ্তাহ খানেকের মধ্যে বাঁধের কাজ শেষ হয়ে যাবে।
২২ নং পিআইসির সভাপতি তাজুল ইসলাম জানান, আমার কাজ শেষ। এখন লেবেল ও গাছ লাগানো হবে। শষ্কায় রয়েছি বরাদ্ধের বিষয় নিয়ে, পিআইসির কাজ মাটি কাটার ট্রেক্টার দিয়ে কাজ ধরা হলেও ট্রেক্টার দিয়ে কাজ করা সম্ভব হয়নি। এখন মাটি কাটতে হয় কুঁদাল উরা দিয়ে যা ব্যায় বহুল। আমার কাজের সাথে বরাদ্ধ কম তাই দাবি করছি বরাদ্ধ বাড়ানোর জন্য। ২০ নং পিআইসির সভাপতি রতন লাল দাস বলেন, সরকারের বেদে দেওয়া সময়ের আগে ফসল রক্ষাবাঁধের কাজ শেষ হওয়ার আশা করছি।
বাঁধের কাজে দায়িত্বরত কোন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে, না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।






