দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মিলন খানের নেতৃত্বে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিনের অবহেলিত ইউনিয়নের শিক্ষা,স্বাস্থ্য,কর্মসংস্থান,রাস্তাঘাট,ব্রীজ,কালর্ভাট সহ বিভিন্ন ধরনের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কাজ।
সরেজমিন ঘুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অবহেলিত ইউনিয়ন বাসীর ভবিষৎ চিন্তা করে যুক্তরাজ্যে প্রবাস জীবন ছেড়ে ইউনিয়নবাসীর সেবায় সর্বদাই নিয়োজিত রয়েছেন। অজোপাড়া গায়ে তিনি একজন উচ্চশিক্ষিত মানুষ হিসেবে সুপরিচিত।
বোগলাবাজার ইউনিয়নের দুই দিকে নদী, উত্তরে ভারতের মেঘালয় ও দক্ষিণে সুরমা ইউনিয়ন, শিক্ষা-দ্বীক্ষায় ও সরকারি-বেসরকারি চাকুরীতে উপজেলায় প্রথম স্থানে রয়েছে বোগলাবাজার ইউনিয়ন।
জানা যায়, মিলন খান সর্বস্তরের জনগণের ভালোবাসায় বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা,নাগরিক স্বাস্থ্য সেবা, রাবার ড্যাম ,ব্যবসা বাণিজ্য ও স্থানীয় এলাকায় ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার কারনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন এখন আর তেমন একটা থানায় কিংবা আদালতে যেতে হচ্ছে না ন্যায় বিচারের জন্য।
ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী ছিল ইউনিয়ন বিভক্তকারী চিলাই নদীতে ব্রীজ নির্মাণ আজ বাস্তবায়নের পথে, চেয়ারম্যান মিলন খাঁনের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ইউনিয়নের প্রতিটি প্রধান প্রধান সড়ক পাকা করনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মোতাবেক নির্বাচিত হওয়ার পরপরই হাওর অঞ্চলের অসহায় দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবার কথা চিন্তা করে রোগীদের জন্য ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছেন যা ইউনিয়নবাসী সহ পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের লোকজনও ব্যবহার করার ব্যাপক সুবিধা পাচ্ছেন।
স্থানীয় ক্যাম্পেরঘাট এলাকার বাসিন্দা হাসান আলী সরকার বলেন, আমাদের মিলন ভাই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমাদের পুরো ইউনিয়ন মাদক,ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ মুক্ত হয়েছে। বর্তমানে আমার কাছে মনে হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশের মত আমাদের ইউনিয়নও স্মার্ট ইউনিয়নে রুপান্তরিত হয়ে সমৃদ্ধশালী হয়ে এগিয়ে যাচ্ছি, আমরা সবসময় আল্লাহর কাছে দোয়া করি মিলন ভাইয়ের জন্য।
মিলন খান অত্যন্ত সুন্দরভাবে বোগলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি কাজ সততার সহিত করে যাচ্ছেন। সপ্তাহের প্রায় সাত দিনই মানুষের সেবায় তিনি কাজ করে যাচ্ছেন, যা বর্তমানে দোয়ারাবাজার উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত। এজন্য ইউনিয়নবাসী অত্যন্ত আনন্দিত।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সাথে সরজমিনে কথা বলে জানা যায়, এরকম একজন ন্যায় পরায়ণ মানুষই জনপ্রতিনিধি হওয়া উচিত বলে মতামত প্রকাশ করেন। মিলন খান একাধিকবার বোগলা রাম সুন্দর রোছমত আলী উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের একাধিক বার সভাপতি পদে আছেন।






