“প্রধান মন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রল্পের ঘর পেয়ে খুশি দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড বাসী,,

 

দোয়ারাবাজার ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বইছে খুশির আমেজ। আনন্দের উচ্ছাসকে ম্লান করতে একটা পক্ষ স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জড়িয়ে কাল্পনিক অভিযোগ করায় বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ায় ইউপি সদস্যকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। সে ব্যাপারে সরকারি ঘর পাওয়া আশ্রয়ন প্রল্পের স্থানীয় সুবিধা ভোগীরা জানান, আমরা প্রধান মন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রল্পের ঘর পেয়ে খুশি। আমরা স্বপ্নেও ভাবিনী এমন পাকা ঘর পাব। আমরা আরও আনন্দিত স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. তাজির উদ্দিন ঘর পাওয়ার ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য।
মাইজ খলা গ্রামের উপকার ভোগী মরম আলী জানান, আমি সত্যি আনন্দিত এবার ঘর পাওয়ার ব্যাপারে কোন প্রকার অনিয়ম হয়নি নিজের হাতে সরকারি টাকা পেয়ে ঘর নির্মাণ করেছি। বড়বন গ্রামের আতর বানু জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঘর দিয়েছে আমি খুশী। ঘর পাওয়ার ব্যাপারে কাউকে টাকা পয়সা দিতে হয়নি।
এব্যাপারে ইউপি সদস্য মো. তাজির উদ্দিন বলেন, আশ্রয়ন প্রল্পের প্রজেক্ট নীতিমালা অনুসারে ভূমিহীনদের ভূমি সার্টিফিকেট দিয়েছে, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান। ঘর বাস্তবায়নে ছিল উপজেলা যাচাই বাছাই কমিটি। আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ করায়, একটা মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আমার নির্বাচনী মাঠ ঘোলাটে করছে।
ঘর বানানো বা কোন প্রকার বিনিময়ের কথা আমার জানা নেই। তবে মানুষের সুখ দুঃখে পাশে থেকে কাজ করি। ইতিমধ্যে আশ্রয়ন প্রল্পের কাজ ও শেষ পর্যায় রয়েছে।
উপজেলা প্রল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা আম্বিয়া আহমদ বলেন, আশ্রয়ন প্রল্পের ঘর নির্মাণ কাজে অনিয়ম হওয়ার সুযোগ নেই।

এই সংবাদটি 239 বার পঠিত হয়েছে