দোয়ারাবাজার ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ দোয়ারায় সমুজ আলী স্কুল এন্ড কলেজের লাইব্রেরীয়ানের সার্টিফিকেট নিয়ে ধ্রুম্ম জালের তদন্ত শুরু।
মঙ্গলবার ( ৯ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান ভুইয়ার সভাপতিত্বে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তকে উপস্থিত রেখে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু রায়হান, সমুজ আলী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সলিলেন্দ্র বাবু, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ব্রজ লাল দে, গর্ভনিং বডির সদস্য, বিনয় ভূষন পুরুঃকায়স্থ, জাকির হোসেন।
উল্লেখ্য বিষয়টি সার্টিফিকেট সংক্রান্ত হওয়ায় সার্টিফিকেট ও শিক্ষা প্রতিষ্টানের তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি তদন্ত কমিটি।
সহকারী অধ্যাপক রুকনুজ্জামানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বললেন, আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে নানা ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
আমার বিরুদ্ধে আনীত সার্টিফিকেট জালিয়াতি জাল নয় সঠিক।
অভিযোগকারী নুরুজ্জান বলেন, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম মহামান্য হাইকোর্ট ২০০৬ সালে বাতিল করলে ও বাতিল কৃত সার্টিফিকেট দিয়ে অবৈধ পন্থায় লাইব্রেরীয়ান পদে চাকুরি নেয় তিনি। একই প্রতিষ্ঠানের ভূয়া সার্টিফিকেটে টেংরামাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একজনের চাকুরি হলেও পরে সেই শিক্ষের চাকুরি হাড়ায়। শুধু তাই নয় একই প্রতিষ্টানের দুটি সার্টিফিকেটে নানা গড় মিল রয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান ভুইয়া জানান, তদন্ত করেছি, অনেক অসংগতি রয়েছে। আমি চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না তবে একটা প্রতিবেদন সহ যাচাই বাচাইয়ের জন্য উর্ধত্বন কতৃপক্ষের বরাবরের সকল তথ্য পাঠিয়ে দিব উনারা সিদ্ধান্ত নিবে।






