তাহিরপুরে চাঁদাবাজি বন্ধে সংবাদ সম্মেলন।।

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর বাজর হতে বৈঠাখালি বাধঁ ও ডাম্পের বাজারের সামনে পাটলাই নদীতে খাস কালেকশনের টোল আদায়কে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও প্রিন্ট পত্রিকায় খাস কালেকশনের নামে চাঁদবাজি শিরোনামের একটি মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন খাস কালেকশনের এক ইজারাদার ।

রবিবার দুপুরে বালিয়াঘাট নতুন বাজারে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইজারাদার আবুল কালাম খান (পারুল)।

সংবাদ সম্মেলন আবুল কালাম খান পারুল বলেন, উপজেলার শ্রীপুর বাজার হতে বৈঠাখালি নামক বাধঁ ও ডাম্পের বাজারের সামনে পাটলাই নদীতে চলাচলকারী কয়লা ও পাথরবাহি নৌকা থেকে ১৪২৭ বাংলা সনের চৈত্র থেকে আগামী ৩০ চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য পৃথক টোল আদায়ের জন্য তাহিরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যলয় থেকে খাস কালেকশন নেই। খাস কালেকশন নেয়ার পর থেকে বৈঠাখালি বাধের সামনে পাটলাই নদীতে শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ ওয়ার্ড সদস্য ও মন্দিয়া গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে সাজিনুর মিয়ার নেতৃত্বে একটি চাঁদাবাজ চক্র অবৈধ ভাবে চাদা দাবি করে আসছে আমার কাছে। তাদের চাদা না দিলে তারা এখানে খাস কালেকশনের টোল আদায় করতে দিবেনা আমাকে । গত সোমবার রাতে সাজিনুরের নেতৃত্ব একদল চাঁদাবাজ আমার নিয়োজিত লোকের কাছে বৈঠাখালি বাঁধে চাদা দাবি করে। তাদের কথা মতো চাঁদা না দেয়াই টোল আদায়কারি শাহ নেওয়াজকে মারপিট করে ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তারা ।
পারুল খান বলেন, শিবরামপুর গ্রামের মতিউর রহমান ও সাজিনুর সহ একটি চক্র দেবত্তর নাম দিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আগে এখানে চাঁদাবাজি করতো। এ বছর আমি উপজেলা প্রশাসন থেকে বৈধ ভাবে খাস কালেকশন নিয়ে আসার পর থেকে এ চক্রটি আমার পিছনে লেগেছে এবং আমার ও আমার পরিবারের বিরোদ্ধে অপপ্রচার করছে। পাররুল খান আরো বলেন, তাদের চাঁদা না দেয়াই পয়েলা ডিসেম্বর মন্দিয়াতা হাটখোলা বাজারে সাজিনুর তার নিজস্ব লোক দিয়ে আমার বিরোদ্ধে একটি মানববন্ধনে বলেছে একই নৌকা থেকে ডাম্পের বাজার ও শ্রীপুর বাজার ঘাট থেকে টোলের নামে চাদাবাজি করা হয় এখানে। যা মিথ্যা ও বানোয়াট। টোল আদায়ের নামে অতিরিক্ত কোন টাকা নৌকা থেকে নেয়া হয়না এখানে নৌকার মাঝিদের কাছ থেকে। সরকার নির্দারিত টোল চলাচল কারী নৌকা থেকে আদায় করা হয় এখানে ।
সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম পারুল বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার পিতা উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ বারের সাবেক চেয়ারম্যান। আমি কোন চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়। সাংবাদিকদের পারুল বলেন, বাগলি চুনাপাথর ও কয়লা আমদানি নামে একটি সমিতি রয়েছে। সমিতির নিয়ম অনুযায়ী কতৃপক্ষ ব্যবসা পরিচালনা হয়ে থাকে। এখানে আমার কোন হাত নেই। তিনি বলেন, সাজিনুরের বিরোদ্ধে বড়ছড়া কয়লা আমদানি কারক সমিতি, বাগলি চুনাপাথর ও কয়লা আমদানি কারক সমিতির চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে তার উপর। এ ছাড়া হাটখোলা বাজার সহ কবরের জায়গা আত্মাসাতের অভিযোগ রয়েছে তার উপর।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন, হাজি রফিক মিয়া,আফসর আলী,আ.কাদির,আলাল মিয়া প্রমুখ।।

এই সংবাদটি 169 বার পঠিত হয়েছে