মধ্যনগরে পরিত্যক্ত নবজাতকের পরিচয় শনাক্ত

ধর্মপাশা প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানার বংশীকুন্ডা (দঃ)ইউনিয়নের হামিদপুর গ্রামে এক কুমারী মেয়ে নবজাতক ছেলে সন্তানের জননী হয়েছে।

জানা যায়, বিগত এক বছর আগে
হামিদপুর গ্রামের নুর ইসলামের কুমারী মেয়ের এরসাথে তার প্রতিবেশী তৈয়ব আলীর ছেলে সুমন মিয়া(২২) এর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।যারফলে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঐ মেয়ের গর্ভে নবজাতক ছেলে সন্তানের জন্ম নেয়।এই নিয়ে জনমনে চাঞ্চল্যকর গুজবের সৃষ্টি হয়েছে।

ঐ নবজাতক সন্তানের জননী জানান, অনেক দিন ধরে সুমনের সাথে আমার সম্পর্ক। আমার সন্তানের জন্মদাতা সুমন।

কিন্তু এই ঘটনাকে মিথ্যা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন হামিদপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের স্ত্রী আছিয়া খাতুন ওরফে আরতী (৫৫)।স্থানীয়রা জানান, আছিয়া খাতুন ওরফে আরতী একজন ধাত্রী।তার মাধ্যমে ঐ সন্তানটির প্রসব হয়।তার মেয়ের কোনো ছেলে সন্তান থাকায় তিনি কৌশলে নবজাতক শিশুটিকে তার মেয়ের জন্য নিয়ে আসেন।এছাড়াও তিনি এই ব্যাপারে প্রশাসন,সমাজসেবা কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন।

অভিযুক্ত সুমনের বাবা তৈয়ব আলী জানান, যেহুতু আমার ছেলে এই ধরনের একটি কাজ করেছে। তাই সানু আক্তারের সাথে আমার ছেলের বিবাহের ব্যবস্থা করে মা ও নবজাতকে স্ত্রী সন্তানের মর্যাদা দেওয়া হবে।
এই ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন,নবজাতক সন্তানের জন্মদাতা সুমন যেহুতু বাড়িতে নেই। তাই সে বাড়িতে আসলে আগামীকাল ঐ মেয়ের সাথে বিবাহ দিয়ে সন্তান সহ তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিবে সুমন।

এই সংবাদটি 179 বার পঠিত হয়েছে