দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃ
চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মিলন খানের নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন কাজ।
অবহেলিত ওই ইউনিয়নের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান,রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালর্ভাটসহ বিভিন্ন ধরনের গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নে সন্তুষ্ট এখানকার বাসিন্দারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মোহাম্মদ মিলন খান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অবহেলিত ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ ইউনিয়নে রুপান্তর করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
ইতিমধ্যে মোহাম্মদ মিলন খান সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় সীমান্তবর্তী ওই ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা, নাগরিক স্বাস্থ্য সেবা, রাবার ড্যাম, ব্যবসা বাণিজ্য ও স্থানীয় এলাকায় ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার কারণে তিনি সকল মহলে সমাদৃত হয়েছেন।
তিনি স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি মূলক উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় কেয়ার বাংলাদের উদ্যোগে ওই ইউনিয়নের ৭০ টি পরিবারে ৫৫ হাজার টাকা করে বসত ঘর পুনঃনির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এই উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে আরও দুই শতাধিক হতদরিদ্র মানুষের ঘর পুনঃনির্মাণসহ মেরামত করে দেওয়া হবে
স্থানীয়রা আরও জানান, ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী ছিল চিলাই নদীতে ব্রিজ নির্মাণ। এটি এখন বাস্তবায়ন হচ্ছে। তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ইউনিয়নের প্রতিটি সড়ক পাকা করণের কাজও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে
তিনি নির্বাচিত হওয়ার পরপরই হাওর অঞ্চলের অসহায় দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবার কথা চিন্তা করে রোগীদের জন্য ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছেন, যা ইউনিয়নবাসীসহ পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের লোকজনও ব্যবহার করার ব্যাপক সুবিধা পাচ্ছেন। এছাড়াও পুরো ইউনিয়ন মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ মুক্ত হয়েছে। সীমান্তে চোরাচালান বন্ধেও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন তিনি।
মোহাম্মদ মিলন খান বলেন, আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বোগলাবাজার ইউনিয়নকে সমৃদ্ধশালী করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। তদুপরি একটি ঈর্ষান্বিত মহল সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানাভাবে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও কাল্পনিক অপপ্রচার এবং প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
তিনি আরও বলেন, বোগলাবাজার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন হওয়ায় এখানকার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে সরকারী বিভিন্ন সংস্থা। ওই এলাকা থেকে চোরাকারবার বন্ধে বিজিবিসহ আমরা সক্রিয় রয়েছি।






