সিলেট তথ্যানুসন্ধান ডেস্ক:সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার উপজেলার, নরসিংপুর ইউনিয়নের দ্বিনেরটুক গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ভাতিজাদের হাতে চাচার পরিবারকে হত্যা চেষ্টায় আহত ৪ জন। এই ঘটনায় বাদী হয়ে ছায়ারুন নেছা, স্বামী মতিন মিয়া নামক, সুনামগঞ্জ মেজিস্টেইড কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে যানা-যায়, বাদীপক্ষ আহত ছায়ারুন, স্বামী মতিন মিয়া( জখমী) পিতা-মৃত আব্দুল কুদ্দুস,
৯ ই অক্টোবর ২০২০ তারিখ সকাল ১০ টায়,
প্রতিপক্ষ ও মামলার প্রথম আসামী রাজু মিয়া (৩২) পিতা- হোসেন আহমদ এর বাড়ির সমনে রোজের কামলা নিয়ে চারা রকম জমিতে কাজ করতে গেলে,

আহত
প্রতিপক্ষ, ১/ আসামী রাজু মিয়া( ৩২), পিতা-হোসেন আহমদ, ২/ মোস্তাক মিয়া,(২৭) পিতা-হোসেন আহমদ, ৩/ সুমন মিয়া(২৩) পিতা- হোসেন আহমদ,
৪/ আয়শা আক্তার (২৫) স্বামী -কবির মিয়া,৫/ নেহারুন বেগম(৫৫) স্বামী -হোসেন আহমদ, ৬/ কবির মিয়া, পিতা – হোসেন আহমদ, দলবল নিয়ে
হাতে রামদা, কিরিছ, লোহার রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে মতিন মিয়া ও তার পরিবারকে প্রানে মারার জন্য আক্রমন করে ও রামদা দিয়ে কুপ দিলে মতিন মিয়ার স্ত্রী ছায়ারুন নেছার মাথার সামনে ডান সাইডে মারাত্মক কাটা জখম করে যাতে ৯ টি সেলাই লাগে ১নং আসামী রাজু মিয়া(৩২) হাতে থাকা রামদা দিয়ে প্রানে মারার উদ্দেশ্যে কুপ মেরে মতিন মিয়ার স্ত্রীর মাথার পিছন ভাগে মারাত্মক কাটা জখম করে আহত করে।
২ নং আসামী মুস্তাক মিয়া( ২৭) মাথা লক্ষ করে রামদা দিয়ে কুপ মারলে, মতিন মিয়ার স্ত্রী ছায়ারুন, ফিরাতে চেষ্টা করলে বাম হাতে লেগে কবজির উপরিভাগ কেটে যায়,
মামলার ৩ নং আসামী সুমন মিয়ার হাতে থাকা রামদা দিয়ে আবারো প্রানে মারার।চেষ্টায় কুপ দিলে রামদার উল্টো সাইডের আঘাতে মতিন মিয়ার স্ত্রীর ছায়ারুন এর বাম হাতের কুনুইর নিচে হাঁড় ভেঙ্গে যায়,
এমনকি ৪ নং আসামী আয়শা আক্তার(২৫), ৫ নং আসামী নেহারুন বেগম (৫৫), ৬ নং আসামী কবির মিয়া,লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
বাদীপক্ষ শারীরিক প্রতিবন্ধী
মতিন মিয়া স্ত্রী ছায়ারুন নেছা কে প্রানে মারার চেষ্টা কালে স্ত্রীকে বাঁচতে এগিয়ে আসলে, ১ নং আসামী রাজু মিয়া(৩২) রামদার উল্টো দিক দিয়ে বারিমেরে বাম হাতের কবজির নীচে হাড় ভেঙ্গে ফেলে, যাতে করে প্রতিবন্ধী মতিন মিয়া মাটিতে লুঠে পরলে তাকে প্রানে মারার চেষ্টায় আবারে রামদা দিয়ে আঘাত করলে মতিন মিয়ার, বাম কাদের হাড় ভেঙ্গে যায়,
আহত প্রতিবন্ধী মতিন মিয়ার ছেলে আবুবক্করকে, ৩নং আসামী সুমন মিয়া (২৩) প্রানে মারার চেষ্টা করলে রামদা দিয়ে কুপ মেরে আবুবক্করের ডান হাতের কনিষ্ট আঙ্গুল কেটে যায় ও প্রানে মারার চেষ্টা চালালে তার মাথার মাঝখানে আঘাত করলে মারাত্মক জখম হয়,
মতিন মিয়ার মেয়ে ৬ নং জখমী মুসলিমাকে লোহার রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে মারাত্মক জখম করে।
প্রতিবন্ধী মতিন মিয়া আহত ও তার স্ত্রী ছায়ারুন,ছেলে আবুবক্কর, মেয়ে মুসলিমাকে , এক প্রতিবেশি সিলেট উসমানি মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে,
আহতর বসত ঘরে প্রবেশ করে ১টা কম্বল, ৬টি মুরগি, ৪ টি চীনা হাঁস,৭০০ গ্রাম পেয়াজ, ২৪ কেজি চাল, ১ টি আলনা, ১ টি সিম্পনী মোবাইল এবং প্রতিবন্ধী মতিন মিয়া চট্টগ্রাম অঞ্চল হইতে সাহায্য চেয়ে আনা নগদ ( একুশ হাজার) টাকাসহ
আনুমানিক ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকা
প্রতিপক্ষ লুঠ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়াও উক্ত আসামীরা উল্লেখ্য একই গ্রামের হত্যা মামলার আসামীদের ২২ টি বাড়ি-ঘর ভাংঙ্গচুর ও লুটপাঠের সাথে ও জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।






