ছাতকে সূর্যমুখী চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন নজির আলী।

ছাতক প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় সূর্যমুখী চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন দোলার বাজার ইউনিয়নের দক্ষিণ কুর্শী গ্রামের মোঃনজির আলী।
তার ক্ষেতে সূর্যমুখী ফুলের বাম্পার ফলনের আভাস দেখে এলাকার অনেকের মনে আশার আলো জাগিয়েছে।চারাগুলোর বয়স আনুমানিক ৩/৪ মাস হবে।চাষকৃত জমিতে হলদে ফুলে মোহনীয় রুপ নিতে শুরু করেছে।সবগুলো গাছে গুটি এসে গেছে,কিছু কিছু গাছে ফুল এসে গেছে বাকিগুলো কিছু দিনের মধ্যে ফুল প্রস্ফুটিত হবে। তখন মোহনীয় সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটবে।ফুলের সৌরভে মোহনীয় হলে এই সৌন্দর্য অবলোকন করতে ইতোমধ্যে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

ছাতক উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতের অর্থায়নে দোলার বাজার ইউনিয়নের দক্ষিণ কুর্শী গ্রামের মোঃনজির আলী প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে ১ বিঘা জমিতে হাইসান
-৩৩ জাতের সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ শুরু করেন।ছাতক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিনা মূল্যে সূর্যমুখীর
বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে এবং কৃষকদের সকল
ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃনাসির উদ্দিনের সার্বিক পরামর্শে সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ রক্ষণাবেক্ষণ করছেন মোঃ নজির আলী।

মোঃনজির আলী বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমবারের মতো সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ শুরু করেছি। কিছু কিছু গাছে ফুল প্রস্ফুটিত হয়েছে এগুলো দেখে খুব ভালো লাগতেছে,ধীরে ধীরে সব গাছে ফুল প্রস্ফুটিত হলে অপূর্ব সৌন্দর্যে মোহনীয় হবে।আমার চাষাবাদকৃত জমিতে যদি বাম্পার ফলন হয় তাহলে এলাকার অনেকেই সূর্যমুখী চাষাবাদে এগিয়ে আসবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক হোসেন খাঁন বলেন, এ বছর হাওরাঞ্চলের উঁচু জমিতে
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ২৮ হেক্টর জমিতে কৃষকরা সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন।সূর্যমুখী ফুলের ৮-১০ মেট্রিক টন ফলনের সম্ভাব্যতা রয়েছে। সূর্যমুখী ফুলের বীজ থেকে যে সোয়াবিন তেল পাওয়া যায় তাতে কোনো ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই। বাজার থেকে যে সাধারণ সয়াবিন তেল কিনি তাতে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

এই সংবাদটি 207 বার পঠিত হয়েছে