- জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীঃ
ছাতকস্থ লাফার্জ হোলসিমের আগ্রাসন রুখে দাঁড়াতে এখানের ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এক মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার ছাতক শহরে সকালে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে গত শনিবার লাফার্জ সিমেন্ট ফ্যাক্টরি চুক্তি লঙ্গন করে চুনাপাথর খোলাবাজারে বিক্রির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে পৃথক স্মারকলিপি দিয়েছে চুনাপাথর আমদানি ও ব্যবসার সাথে জড়িত ৩০টি ব্যবসায়ী সংগঠন। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, লাফার্জ কর্তৃপক্ষ অধিক লাভবান হওয়ার স্বার্থে ভারত থেকে আমদানীকৃত চুনাপাথর কারখানার অভ্যন্তরে ক্রাশিং করে অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি করছে। আমদানিকৃত চুনাপাথর সিমেন্ট ও ক্লিংকার উৎপাদন ও বিপনন করার শর্তে বাংলাদেশ ও ভারতের সাথে লাফার্জের চুক্তি থাকলেও কর্তৃপক্ষ সেটি মানছে না। বরং চুক্তি লঙ্ঘন করে চুনাপাথর ক্রাশিং করে খোলাবাজারে বিক্রি করার কারনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মারাত্মক ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে তারা। তাদের কারনে চুনাপাথর আমদানি ও ব্যবসার সাথে জড়িত ছাতক, ভোলাগঞ্জ, তামাবিল, বড়ছড়া, বাগলি শুল্ক ষ্টেশনের কয়েক শ’ ব্যবসায়ী বর্তমানে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। পাশাপাশি চুনাপাথর ব্যবসার সাথে জড়িত লক্ষাধিক শ্রমিকের রুটি-রুজির পথও বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি, ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ চুনাপাথর খোলাবাজারে বিক্রি বন্ধের দাবীতে পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি বরাবরেও স্মরকলিপি প্রদান করেছেন। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহবায়ক আহমদ শাখাওয়াত সেলিম চৌধুরী জানান, ওই বিষয়ে আমরা ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ লাফার্জ কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিক বৈঠক হয়েছে। প্রথম দিকে তারা প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে তা রক্ষা করেনি। ২ মার্চ সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ৮ মার্চের মধ্যে লাফার্জ কর্তৃপক্ষ এসব কার্যক্রম থেকে সরে আসার আহবান জানানো হয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে কোন সাড়া না পাওয়ায় আন্দোলনে নামার পথ বেচে নিয়েছেন এখানের ব্যবসায়ীগণ। লাগাতার আন্দোলনের অংশ হিসেবে ৯ মার্চ বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করবে ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। এ মানববন্ধনে ব্যবসায়ী-শ্রমিকসহ সর্ব সাধারণকে অংশ নেয়ার জন্য ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের পক্ষে অনুরোধ জানান তিনি।






