স্পোর্টস রিপোর্টার: পাপলু মিয়া
বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আনন্দ আয়োজন, উৎসব ও খেলাধুলা সবকিছুতেই নদী ও নৌকার সরব আনাগোনা। হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সংস্করণ বাংলাদেশের নৌকা বাইচ। এক সময় এ দেশে যোগাযোগ ছিল নদী কেন্দ্রিক আর বাহন ছিল নৌকা। এখানে নৌ শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে বিভিন্ন শিল্পকেন্দ্র। এসব শিল্পে যুগ যুগ ধরে তৈরি হয় দক্ষ ও অভিজ্ঞ কারিগর। এভাবে একসময় বিভিন্ন নৌযানের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
বাংলাদেশে নৌকাবাইচ লোকায়ত বাংলার লোকসংস্কৃতির একটি অংশ। তবে কবে এদেশে গণবিনোদন হিসেবে নৌকাবাইচের প্রচলন হযেছির তার সঠিক ইতিহাস পাওয়া যায় না। “বাইচ” শব্দটির বুৎপত্তি বিবেচনা করে অনুমিত হয়েছে যে মধ্যযুগের মুসলমান নবাব, সুবেদার, ভূস্বামীরা, যাদের নৌবাহিনী, তারা এই প্রতিযোগিতামূলক বিনোদনের সূত্রপাত করেছিলেন। তবে এ বিষয়ে দুটি জনশ্রুতি আছে।
আরো জানা গেছে- মুসলিম যুগের নবাব-বাদশাহদের আমলে নৌকা বাইচ বেশ জনপ্রিয় ছিল। অনেকে মনে করেন, নবাব বাদশাহদের নৌ বাহিনী থেকেই নৌকা বাইচের গোড়াপত্তন হয়।
বাংলাদেশের একটি বর্নাঢ্য ও আনন্দময় খেলা হচ্ছে নৌকা বাইচ। আবহমান কাল থেকে গ্রামবাংলার মানুষের জীবনের সাথে নৌকা বাইচ ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে রয়েছে। সেই নৌকা বাইচ’কে বর্নাঢ্য আয়োজনে প্রতিবছরের মতো আবারও মুক্তিরগাঁও অষ্টগ্রামবাসীর প্রথম পুরস্কার দাতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী, সোহাগ আহমদ, দ্বিতীয় পুরস্কার দাতা আব্দুল কাদির যুবলীগ নেতা ছাতক উপজেলা,
ছাতক সুরমা নদী আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১২ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘৩তম নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ২০২৩’। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় সভাপতি করবেন নজরুল হক
সাবেক কালারুকা ইউনিয়ন , খেলার সাধারণ সম্পাদক, সাবেক মেম্বার আব্দুল মতিন,
ছাতকের মুক্তিরগাঁও অষ্টগ্রামবাসীর আয়োজনে সুরমা নদীর তীরবর্তী মুক্তিরগাও শিমুলতলা নদীতে প্রাঙ্গণে ‘ তৃতীয়বারের মতো নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ২০২৩’ এর বিজয়ী দলের হাতে পুরুষ্কার বিতরনী করা হবে। উক্ত নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ও সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ‘ মুক্তিরগাঁও আষ্টগ্রামবাসী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ২০২৩’ এর খেলা পরিচালনা কমিটি।






