ডেস্ক নিউজ
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে কিশোর গ্যাং এর সদস্যের ছুরিকাঘাতে এক কিশোর খুন হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার দোয়ারাবাজারে এ ঘটনাটি ঘটেছে। ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়া সেই কিশোর গ্যাং এর সদস্যকে এখনও ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনির সদস্যরা। তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলছেন তাকে ধরতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
জানা যায়, সোমবার বিকেলে কবুতর পাখি কিনার জন্য মায়ের কাছ থেকে ৫শ’ টাকা নিয়ে দোয়ারাবাজার যায় হোছন মিয়া (১২) নামের এক কিশোর। সে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব নৈনগাঁও গ্রামের সাকির আলীর ছেলে। বাড়ি থেকে দোয়ারাবাজার যাওয়ার সময় তার সাথে ছিল একই গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে, কিশোর গ্যাং এর সদস্য আহছান মিয়া (১৪)। তারা দুইজন পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা। বাজারে গিয়ে কবুতর পাখি না পেয়ে বাড়িতে আসতে চেয়েছিল হোছন মিয়া। এসময় হোছন মিয়ার কাছ থেকে কবুতর কিনার টাকা জোরপূর্বক নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় কিশোর গ্যাং আহছান। এক পর্যায়ে ধাওয়া দিয়ে বাজারের একটি সার্টারবিহিন নতূন দোকান ঘরে নিয়ে পেটে, ঘারে ও গলায় উপুর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় ওই কিশোর গ্যাংগের সদস্য আহছান মিয়া। তার শোর চিৎকারে বাজারের লোকজন জড়ো হয় এবং তাকে দ্রুত উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছু সময় পরে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। জানা গেছে, কয়েক মাস আগে ওই কিশোর গ্যাংগের সদস্য আহছান মিয়া তার গ্রামের এক যুবককে সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে ছুরিকাঘাত করে ক্ষতবিক্ষত করেছিল। সে দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, আবদুল বারির মামাতো ভাই।
এদিকে, কিশোর গ্যাংগের ছুরিকাঘাতে নিহত হোছন মিয়ার লাশ হাসপাতালে রয়েছে। খুনের বিষয়টিকে ধামাচাঁপা দিতে ইতোমধ্যে অপতৎপরতা চালাচ্ছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে হত্যাকারিকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনির প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল হক ছুরিকাঘাতে কিশোর খুনের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ চেষ্টা করছে।






