নদীপথে চাদাঁবাজি,সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর দু’জন কারাগারে।।

ডেস্ক নিউজ 

সুনামগঞ্জের ছাতক সুরমা নদীতে নিয়মবহির্ভূত চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দুই জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। আটককৃতদের চাদাঁবাজির মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। তারা হলেন, ছাতক পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মোগলপাড়া এলাকার সমছু মিয়ার ছেলে, ছাতক পৌরসভার টোল আদায়ের ইজারাদার, ইকবাল হোসেন রানা ও তার সহযোগি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কুচবাড়ি গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে মকবুল হোসেন।

মামলা সুত্রে জানাযায় ছাতক পৌরসভার বাহিরে সদর ইউনিয়নের বাউসা গ্রাম সংলগ্ন সুরমা নদীতে চলন্ত নৌ-যান থেকে নিয়মবহির্ভূত চাঁদা আদায় করে আসছিলেন তারা। এমন অভিযোগের খবর পেয়ে রোববার বিকেলে তাৎক্ষণিক অভিযান নামে সেনাবাহিনীর একটি টিম। সেনাবাহিনীর স্পিডবোর্ড দেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধাওয়া করে মকবুল হোসেন (৩০) নামের এক চাঁদা আদায়কারীকে আটক করতে সক্ষম হয় সেনাবাহিনী। এসময় একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের নৌকা, দুইটি দেশীয় দা ও একটি কাঁচি উদ্ধার করা হয়। আটককৃতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন লাফার্জ ঘাট এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন রানা (৩৬)কে আটক করে ছাতক সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। আটকের পর দুইজনকে ছাতক নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে হস্তান্তর করা হয়। পরে ভুক্তভোগি নদীর বাল্কহেড চালক পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার উত্তর কলারদোয়ানিয়া খলনি গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে সুমন খান বাদি হয়ে সোমবার ছাতক থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা (নং-০৯/১৩১) দায়ের করেন। এ মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ছাতক নৌ পুলিশের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন,আটকের পর ভূক্তভোগীরা তাদের বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা দায়ের ও আসামিদের কে সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান আকন্দ।

এই সংবাদটি 104 বার পঠিত হয়েছে