স্টাফ রিপোর্টার, ছাতক
সুনামগঞ্জের ছাতকের কালারুকা ইউনিয়নের হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহিন আহমদ কর্তৃক দুই শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের বিষয়টি অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীদের শাসনের নামে ওই শিক্ষক স্টীলের স্কেল,গাছের ডাল ও পায়ের জুতা দিয়ে মারধরের বিষয়টি সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। শুক্রবার বিকেলে ছাতক মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে সেক্রেটারি, গোবিন্দগঞ্জ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম বকুল নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসনাবাদ ও পৌর শহরের ছোরাবনগরে তাদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ খবর নেন এবং অভিভাবকদের শান্তনা দেন। পাশাপাশি শিক্ষক মন্ডলীদের নিয়ে বিষয়টি নিস্পত্তির করার চেষ্টা করছেন শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারিসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নেওয়ায় তাদের অভিভাবকরা ধন্যবাদ জানিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানান। এসময় আলহাজ্ব আয়াজুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জয়দুল ইসলাম, হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল হাই মো. কামাল, সহকারী শিক্ষক সাজিদুর রহমান, সঞ্জয় কুমার দাশ, বিধান তালুকদার ও ইসলাম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গেল বুধবার হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনির ছাত্র মাহিন ও শাওনকে শাসনের নামে ক্লাস রুমে স্টীলের স্কেল, গাছের ডাল ও পায়ের জুতা দিয়ে বেদড়ক নির্যাতন করেন সহকারী শিক্ষক শাহিন আহমদ। এতে তাদের শরিরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহৃ দৃশ্যমান হয়। চিকিৎসা দেওয়া হয় উপজেলা হাসপাতালে। প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আহত মাহিনের মা হাছনা বেগম।






